বিজ্ঞাপন
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত পরশু জামাল উদ্দিন কানুর স্ত্রী ও কন্যা রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাদের সন্ধান না পেয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) অন্তর্ভুক্ত করেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি বিভিন্ন ফেসবুক ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমকর্মীরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করলে তা জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। গণমাধ্যমের এই জোরালো ভূমিকার প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায়, শনিবার রাতে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল শহরের টেপাখোলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে পান্নু নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়া থাকা এক পুলিশ সদস্যের আত্মীয়ের বাসা থেকে নিখোঁজ মা ও মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের সদস্যদের ফিরে পাওয়ার পর এক বার্তায় জামাল উদ্দিন কানু বলেন, "পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিক ভাইদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতার কারণে আজ আমি আমার স্ত্রী-সন্তানকে ফিরে পেয়েছি। আপনাদের এই ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়।"
তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিনীত অনুরোধ জানান, নিখোঁজের খবরের মতো উদ্ধারের বিষয়টিও যেন গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয় যাতে জনমনে বিভ্রান্তি দূর হয়। একই সঙ্গে তিনি তার পরিবারের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...