বিজ্ঞাপন
এতে ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিকের সঠিক মাত্রার অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গুণগত পাঠদান, শিশু বিকাশ ও প্রশাসনিক কাজ। দ্রুত এ সমস্যা নিরসন প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সবাই।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ১৩৬টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিহীন। প্রধান শিক্ষক বিহীন বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।
জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক-শূন্য বিদ্যালয়গুলোতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সিনিয়র শিক্ষকরা। এতে একদিকে স্কুল পরিচালনা, অন্যদিকে প্রশাসনিক কার্যক্রম পালন শেষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ফলে ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীদের পাঠকার্যক্রম।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, বাড়তি সম্মানী না থাকলেও প্রধান শিক্ষকের শূন্যতায় দায়িত্বরত শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্বের বোঝা বহন করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ পর্যাপ্ত বিশ্রাম না থাকা ক্লান্তিবোধ থেকে হতাশায় ভুগছেন অনেকেই।
অভিভাবকরা বলছেন, একজন মানুষের পক্ষে এত কাজ সামলানো খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার। অভিভাবকদের ভাষ্যমতে, শিক্ষার্থীদের ভিত শক্ত করার স্তর হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে যদি কোনো ত্রুটি থাকে তবে সেই শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক এবং ক্ষেত্রবিশেষে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভোগান্তিতে পড়ে। অভিভাবকরা দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন।
দেশীগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নেওয়া ও প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা কষ্টকর। এতে কোন কাজই ঠিকভাবে করা হচ্ছে না।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ বলেন, উপজেলায় ৩৮টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলিতে নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...