Logo Logo

মাদারীপুরে অভিমান করে বাড়ি ছাড়ে ৮ বছরের শিশু, আনসার বাহিনীর তৎপরতায় উদ্ধার


Splash Image

মাদারীপুরে বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে নগদ ৬৪ হাজার টাকারও বেশি অর্থ ও প্রিয় খেলনা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া আট বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর মাদারীপুর সদর হাসপাতাল থেকে তাকে উদ্ধার করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত অর্থসহ শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম মাহিম জমাদ্দার (৮)। সে মাদারীপুর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব বাহাদুরপুর গ্রামের সুমন জমাদ্দারের ছেলে।

হাসপাতাল ও উপজেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই বুধবার মাদারীপুরের শিরখাড়া এলাকা থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরদিন ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে তাকে একা ঘুরে বেড়াতে দেখেন হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্য অন্তর মিয়া। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতাল আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ মোখলেসুর রহমানকে অবহিত করেন।

পরে আনসার সদস্যরা শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তাকে নিরাপদ হেফাজতে নেন। এ সময় তার ব্যাগ তল্লাশি করে খেলনার পাশাপাশি নগদ ৬৪ হাজার ১২০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এরপর আনসার সদস্যরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সদর উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মনির হোসেনকে বিষয়টি জানান। উপজেলা কর্মকর্তা মনির হোসেন জেলা হাসপাতালে এসে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহায়তায় শিশুটির বাবা ও চাচার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একই সঙ্গে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) বিষয়টি অবহিত করা হয়।

পরবর্তীতে শুক্রবার ভোররাতে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থসহ শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শিশুটির পিতা সুমন জমাদ্দার সাংবাদিকদের বলেন, ছেলেকে হারিয়ে পরিবারের সবাই স্তব্ধ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালের আনসার সদস্যরা উদ্ধার না করলে ছেলে হয়তো আরও দূরে কোথাও হারিয়ে যেত। সন্তানকে ফিরে পেয়ে তাঁদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তিনি জানান।

সদর উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি ও তার সঙ্গে থাকা অর্থ নিরাপদেই তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সন্তানদের প্রতি বাবা-মাকে আরও বেশি যত্নশীল ও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানান এই কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...