বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আবদুল মজিদ (৪৮) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কাফিলাতলি এলাকার মৃত আমিনুল হকের ছেলে। তিনি রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবদুল মজিদ রামগতি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যাংকের এসটিডি হিসাব নম্বর-৪ থেকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৮ টাকা, এসটিডি হিসাব নম্বর-৬ থেকে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ১১৭ টাকা এবং সরকারি কর্মচারীদের পেনশন বাবদ উত্তোলিত ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৩১ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করে তিনি মোট ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৫ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তী তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে সর্বমোট এক কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পায়।
নোয়াখালী দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার তদন্ত শেষে তৎকালীন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ এবং সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
রায়ে আদালত দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪০৯ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পৃথক তিন ধারায় দেওয়া সাজা মিলিয়ে মো. আবদুল মজিদকে মোট ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...