Logo Logo

ছোটরাও পাবে এনআইডি, প্রাথমিক পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা ইসির


Splash Image

ছবি : সংগৃহিত

বর্তমানে ১৬ বছর বয়স থেকে ভোটার হওয়ার জন্য নিবন্ধন করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে, এখন থেকে এনআইডির জন্য তথ্য সংগ্রহের এই বয়সসীমা আরও নিচে নামিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় (প্রাইমারি) পর্যায় পর্যন্ত নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে সংস্থাটি।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন ভবনে ১২তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্যের কথা জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ইসি সচিব বলেন, বর্তমানে ১৬ বছর ও তদূর্ধ্বদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার তালিকার জন্য ডাটা কালেকশন করা হয়। কোনো নাগরিকের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান, আর তার আগ পর্যন্ত তথ্যগুলো সুপ্ত বা ‘ডরম্যান্ট’ অবস্থায় থাকে। এই ডাটা কালেকশনের সীমাটি এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি নাকি প্রাইমারি এনরোলমেন্ট পর্যন্ত নামানো যায়, সে বিষয়ে সার্বিক পর্যালোচনা শেষে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এনআইডি সংশোধন ও স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যবস্থার হালনাগাদ তথ্যের কথাও উল্লেখ করেন ইসি সচিব। ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন এখন থেকে অনলাইনেই করা যাবে এবং এর জন্য একটি নির্ধারিত প্রাতিষ্ঠানিক ফি দিতে হবে। এর পাশাপাশি আইনে বর্ণিত ১৫ বছর পর পর এনআইডি নবায়নের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, নবায়নের জন্য নির্ধারিত একটি ফর্ম থাকবে। সেখানে আবেদনকারীকে তার পারিবারিক পরিচয় বা ‘ফ্যামিলি ট্রি’-র তথ্য দিতে হবে, যেন তথ্যের সংগতি বজায় রাখা সহজ হয়। আর এ কাজের জন্যও ন্যূনতম একটি ফি প্রযোজ্য হবে।

সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে মাঠ পর্যায়ে জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষমতাও দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ইসি সচিব জানান, যেসব ক্ষেত্রে পাবলিক পরীক্ষা যেমন জেএসসি, এসএসসি বা পিএসসির সনদের ওপর ভিত্তি করে বয়স বা জন্ম তারিখ নিশ্চিত হওয়া যায়, সেসব সংশোধন এখন থেকে কেন্দ্র থেকে না করে মাঠ পর্যায় থেকেই সম্পাদন করার ক্ষমতা হস্তান্তর করা হচ্ছে।

প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও ধাপে পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান সচিব। আগে প্রবাসীদের বায়োমেট্রিক ও তথ্য জমা দেওয়ার পর আবেদনটি দেশে তদন্তের জন্য আসতো এবং তদন্ত শেষে আপলোড করা হতো। তবে এখন থেকে বিদেশে বায়োমেট্রিক দেওয়ার পরই সেটি সিস্টেমে আপলোড হয়ে যাবে। এরপর দেশে তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে কেন্দ্র থেকেই সরাসরি অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হবে। ফলে সময় ও ধাপ দুটোই কমবে। নবায়নের সময় কী কী তথ্য লাগবে ও পদ্ধতিগুলো কেমন হবে, তা আরও সহজ ও পরিশোধিত করে আনা হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...