বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার পাকিস্তান হাই কমিশন থেকে এক আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই উপহারের বিষয়টি অবহিত করা হয়।
ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাই কমিশনের পাঠানো বার্তা অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন হিসেবেই এই আম পাঠিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী। উপহারের পাঁচ বক্স আম প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘চিফ অব প্রোটোকল’-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
হাই কমিশনের প্রতিনিধিরা জানান, আম উপহারের এই পদক্ষেপ মূলত প্রথাগত সৌজন্য বিনিময় হলেও এটি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগাযোগের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে ফল বা বিশেষ সামগ্রী উপহার দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়ানোর এই চর্চা নতুন নয়। বহুকাল ধরে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে 'আম কূটনীতি' বা 'মেঙ্গো ডিপ্লোমেসি' একটি সুপরিচিত এবং কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
বিশেষ করে প্রতি বছর গ্রীষ্মকাল বা ফল মৌসুমে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতসহ উপমহাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একে অপরকে বিখ্যাত জাতের আম উপহার পাঠিয়ে থাকেন। এটি কেবল আনুষ্ঠানিক কোনো প্রথা নয়, বরং আঞ্চলিক সৌহার্দ্য, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফ গলাতে বহু বছর ধরে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঢাকা-ইসলামাবাদ কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি নতুন ইতিবাচক বার্তা যোগ করল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...