বিজ্ঞাপন
বাঁশকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ে ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া ১ টি গাছ কেটে নিলামের মাধ্যমে বিক্রির সরকারি অনুমতি ছিল। কিন্তু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনটি গাছ কেটেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শামিমা নাসরিনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি দুটি গাছ কাটার কথা স্বীকার করলেও এ বিষয়ে কোনো অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি। পরে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত তিনটি গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী একটি চাম্বুল গাছের পাশাপাশি আরও দুটি মেহগনি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এমনকি একটি গাছের গুঁড়ি মাটি দিয়ে ঢেকে রাখারও অভিযোগ রয়েছে, যাতে সেখানে আগে কোনো গাছ ছিল তা বোঝা না যায়। অথচ অফিসিয়াল রেকর্ড বলছে তারা একটি চাম্বুল গাছ কাটার অনুমতি পেয়েছেন। এ বিষয়ে তথ্য জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেলে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়্যেদাতুন নেছা রূপা জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের একটি চাম্বুল গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ওই গাছের বাজার মূল্য আনুমানিক ২ হাজার ২০০ শত টাকা। এর বাইরে অন্য কোনো গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
বিষয়টি নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলতে গেলে উঠে আসে বিদ্যালয়ের আরো কিছু অনিয়মের চিত্র। রাসেল আহমেদ নামের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিলেন, স্কুলে গাছ কাটার বিষয়টি এলাকার সবাই জানে। তবে এই বিষয়ে কেউ কথা বলতে চায় না। কারন স্কুলে কর্মরত অনেক শিক্ষক এলাকার অনেকের ই আত্মীয়। কিন্তু এভাবে গাছ কেটে ফেলা কাম্য নয়। কথায় কথায় কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী জানান, বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষকদের শ্রেনী কক্ষে পাঠদান অপেক্ষা মোবাইল ব্যবহারে বেশি আগ্রহ। এছাড়াও স্থানীয় বিদ্যালয় কমিটি গঠনে সবার অংশগ্রহন নিশ্চিত হয়নি বলেও অভিযোগ উঠে এসেছে। এ সকল ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...