Logo Logo

ঝালকাঠিতে বাস-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪


Splash Image

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রা (থ্রি-হুইলার) মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন।


বিজ্ঞাপন


তবে দুর্ঘটনার পর মাহিন্দ্রের চালক পলাতক রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজাপুর-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার বড় কৈবর্তখালী সমবায় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাথরঘাটা থেকে ছেড়ে আসা বরিশাল এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে যাত্রী নিয়ে ভান্ডারিয়ার দিকে যাওয়া একটি মাহিন্দ্রা বড় কৈবর্তখালী সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রায় থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আরও চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে মাহিন্দ্রের চালক পলাতক রয়েছে।

খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নিহতরা হলেন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার গৌরীপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মো. বেল্লাল সরদারের ছেলে মেহেদী (২৪) এবং চরমোনাই কোরআন শিক্ষা বোর্ডের ইংলিশ শিক্ষক ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার কচুয়া এলাকার মৃত হোসেন মাস্টারের ছেলে এবিএম আব্দুর রহিম।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজাপুর উপজেলার তারাবুনিয়া এলাকার মৃত রমেশ চন্দ্র বেপারীর ছেলে রিমন চন্দ্র বেপারী (৩৫), পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বজলুর রহমানের ছেলে মো. আবির রহমান (৩১) এবং একই উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মৃত লাল মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৫৫)। আহত অপর একজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন এবং পালিয়ে যাওয়া বাসটিকে শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...