বিজ্ঞাপন
আবির গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর ইসলামপাড়া গ্রামের আশরাফুল ইসলাম শরীফের ছেলে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ সন্ধ্যা ৬টার দিকে মধুমতি নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
আবিরের মামা আনিচুল ইসলাম জার্মান বলেন, গত বুধবার রাত থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজা খুঁজি করেছি কোথাও ট্রেস পাইনি। ওর বন্ধুবান্ধব যত ছিল, ও যেখানে ছিল সেখানেও খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু খোঁজ মেলেনি। শুক্রবার সন্ধ্যার আগে শুনি মধুমতি নদীতে একটি লাশ পাওয়া গেছে। লাশ দেখে আমার ভাগ্নে হিসেবে সনাক্ত করেছি। পারিবারিক কোন কলহ ছিল না। ধারণা করছি কোন এনিমি এটা করতে পারে। এনমিতো অনেকেই আছে, কললিস্ট ধরে তদন্ত করলে, মৃত্যুর রহস্য জানা যেতে পারে।
আনুমানিক রাত ১ টার দিকে বের হয়েছে। হয়তো বা কেউ ওকে ফোন দিয়েছে। ওদের গেটে তালা লাগানো, ও ফোন রেখে গেছে। ওকে এমনভাবে হয়তো ফোন দিয়েছে, কোন একটা দরকার, এভাবে ডাক দিয়েছে। এ কারণে ফোন রেখে গেছে। তার কাছে কোন টাকা পয়সাও ছিল না। কিংবা রাগ হয়ে বের হয়ে গেছে এমন কোন কাহিনীও নেই। বাসায় কোন রাগারাগিও নেই। শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল।
গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, মরদেহটি তার পরিবারের সদস্যরা সনাক্ত করেছেন। লাশের ময়না তদন্তের পর তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানাযাবে বলে তিনি জানান। এখনো ওই ছাত্রের মৃত্যুর রহস্য জানা যায়নি। তবে পুলিশ রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...