বিজ্ঞাপন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক ঐতিহাসিক আবহের সৃষ্টি হয়। ফলক উন্মোচনের পর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি, সংরক্ষিত ঐতিহাসিক নিদর্শন, আন্দোলনকালীন আলোকচিত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র, ভিডিও ফুটেজ এবং শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের স্মারকসমূহ ঘুরে দেখেন।
উদ্বোধনী পর্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান সহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্বোধনের প্রথম দিন অর্থাৎ বুধবার জাদুঘরটি কেবল বিশেষ অতিথি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের পরিদর্শনের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে টিকিটিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে অনলাইন ব্যবস্থা। দর্শনার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইন থেকে প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সাধারণ নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এ জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বিকৃতিমুক্ত ও জীবন্তভাবে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলো।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...