বিজ্ঞাপন
এর আগে, তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে জানানো হয় যে দিবসটি উপলক্ষে দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দিবসটির কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ৯টায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় সকাল ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বীর জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। একই স্থানে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩০ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক দুর্লভ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তথ্য বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আদলে দেশের প্রতিটি জেলাতেও জুলাই শহীদ পরিবার ও বীর জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদানের পাশাপাশি তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আজ ঢাকাসহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও ঐতিহাসিক দুর্লভ আলোকচিত্র এবং ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ দেশের সকল বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও টকশো সম্প্রচার করা হবে।
একই সঙ্গে দেশের সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশের মাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও দিবসটি স্মরণে আলোচনার আয়োজন রয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় সারা দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ঢাকাসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা, রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুনে সুশোভিত করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে।
জনসাধারণের প্রবেশের সুবিধার জন্য সরকারি ও বেসরকারি মালিকানাধীন স্বায়ত্তশাসিত সকল জাদুঘর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের জন্য দিনব্যাপী বিনা টিকিটে প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দিবসটির সার্বিক উদযাপনের অংশ হিসেবে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার কেন্দ্র ও ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ উন্নতমানের প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...