বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন নিহত উম্মে সালমা ওরফে নিশির বাবা ও গণমাধ্যমকর্মী এম এ আউয়াল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের চরম অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই তাঁর সুস্থ অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে ও গর্ভের নবজাতক সন্তানের অকালমৃত্যু ঘটেছে। ঘটনাটি তদন্তের পর গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে তিন বছরের জন্য অভিযুক্ত চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন ওরফে অভি ও তাঁর স্ত্রী ফৌজিয়া ফরিদের চিকিৎসাসেবার সনদ ও নিবন্ধন সাময়িকভাবে স্থগিত করে। এমনকি বিএমডিসির পক্ষ থেকে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি সর্বসাধারণের জন্য প্রচারও করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগীর বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিএমডিসি কর্তৃক সনদ ও নিবন্ধন স্থগিত থাকার পরও অভিযুক্ত ওই দুই চিকিৎসক নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে প্রকাশ্যে প্রাইভেট প্র্যাকটিস এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া ফৌজিয়া ফরিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও তীব্র অসন্তোষ ও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের অব্যাহত হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও মামলার সাক্ষীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে অভিযুক্ত উভয় চিকিৎসককে দ্রুত সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা, তাঁদের অবৈধ প্রাইভেট প্র্যাকটিস পুরোপুরি বন্ধ করা এবং অনিয়মে সহযোগিতাকারী হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণসহ দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...