বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. রুবেল হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে রাজাপুর থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন। তবে অভিযোগটি এখনো মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর এলাকায় ১১০ নম্বর উত্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের কাটাখালি খালে এ ঘটনা ঘটে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মো. আরাফাতসহ স্থানীয় কয়েকজন শিশু কাটাখালি খালে গোসল ও সাঁতার কাটছিল। এ সময় লতিফ মাতুব্বর শিশুদের গালিগালাজ করে খাল থেকে উঠে যেতে বলেন। অন্য শিশুরা পানি থেকে উঠে গেলেও আরাফাত খাল থেকে না ওঠায় তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ করা হয়। একপর্যায়ে লতিফ মাতুব্বর শিশুটিকে খালের পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় ফেরিওয়ালা মো. দুলাল প্রামাণিক ঘটনাটি দেখতে পান। পরে তিনি সঙ্গে থাকা মাইক দিয়ে মাইকিং করে শিশুটিকে পানি থেকে তুলে নেওয়ার জন্য লতিফকে বলেন এবং স্থানীয়দের ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
মাইকিং শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আরাফাতকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
শিশুটির বাবা মো. রুবেল হোসেন অভিযোগ করেন, ঘটনার পর লতিফ মাতুব্বর তাদের খুন-জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. লতিফ মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরিবার একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষ বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছে।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...