Logo Logo

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক হলেন সাদি উর রহিম জাদিদ


Splash Image

প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে এবার সিলেট নগরীর পরিকল্পিত ও আধুনিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব) সাদি উর রহিম জাদিদ। সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি এরই মধ্যে সহকর্মী ও স্থানীয় মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।


বিজ্ঞাপন


সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন—প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে সাদি উর রহিম জাদিদের। বিশেষ করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ স্থানীয় এলাকার চেহারা বদলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

একসময় সন্ধ্যার পর বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা ও আশপাশের এলাকায় অনেকটা নীরব ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ বিরাজ করত। সেই পরিস্থিতিতে পর্যটন ও জনবান্ধব বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেন তিনি। বিশাল খরচার হাওরপাড়ে হাওর বিলাস, পাহাড় বিলাস, হাওরবৃত্ত, বোয়াল চত্বর ও মাল্টিপারপাস সেন্টার নির্মাণের মাধ্যমে এলাকাটিকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেন। এসব স্থাপনা পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

বিশ্বম্ভরপুরের এসব উদ্যোগের সুফল এখনো দৃশ্যমান। তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের অনেকেই যাতায়াতের পথে বিশ্বম্ভরপুরের এসব স্থানে কিছুটা সময় কাটান। ফলে স্থানীয় পর্যটন সম্ভাবনা বিকাশের পাশাপাশি মানুষের বিনোদন ও অবসর কাটানোর সুযোগও তৈরি হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুরে দায়িত্ব পালনের সময় এলাকার উন্নয়ন নিয়ে আরও বেশ কিছু পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে শেয়ার করেছিলেন। নানা কারণে সেসব পরিকল্পনার সবগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও তাঁর উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছিল।

পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাদি উর রহিম জাদিদ। সেখানেও প্রশাসনিক দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালনের পর বর্তমানে তিনি সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সিলেট বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নগরী। দ্রুত নগরায়ণের পাশাপাশি পরিকল্পিত আবাসন, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। এমন বাস্তবতায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে নগরীর দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

সাদি উর রহিম জাদিদের কর্মদক্ষতা, সৃজনশীলতা ও পূর্বের অভিজ্ঞতার আলোকে অনেকেই আশা করছেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সিলেট নগরীকে আরও আধুনিক, পরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন নগরীতে রূপান্তরের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...