বিজ্ঞাপন
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আদম আলী মোল্লা একদন্ত ইউনিয়নের ষাটগাছা স্কুলপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম মোল্লার ছেলে। তিনি একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ ও বিস্ফোরক আইনে অন্তত তিনটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আদম আলী মোল্লা একদন্ত বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। পথে চন্দিপাশা এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা তাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে গুরুতর আহত করে তারা।
পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করে।
নিহতের মামাতো ভাই আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমার বাসা ফরিদপুর থানায়। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই আমি এখানে এসেছি।’
তিনি জানান, প্রায় ১৫ দিন আগে নিহতের ছেলে তাকে ফোন করে বলেছিলেন, তাদের অনেকেই হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। আলমগীরের ধারণা, যারা আগে হুমকি দিয়েছিল, তারাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচার দাবি করেন।
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, নিহত আদম আলী মোল্লার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার দুটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে একটি বিস্ফোরক মামলাও রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব শিগগিরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...