বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইনোভেশন ফেয়ার কমিটির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সদস্যসচিব ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীর জানান, আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বিজয় সরণিস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্ভাবক, শিল্পখাত এবং বিনিয়োগকারীদের একই ছাদের নিচে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে একটি সমন্বিত ‘ইনোভেশন ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা তরুণ উদ্ভাবকদের আইডিয়াকে সরাসরি বাজারমুখী করে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
মেলায় বাকৃবির অংশগ্রহণ সম্পর্কে আয়োজকরা জানান, তিনটি পৃথক স্টলের মাধ্যমে গবেষকদের নির্বাচিত ৩৬টি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত কৃষিপণ্য, প্রাণীস্বাস্থ্য রক্ষা, প্রাণিজ উৎপাদন বৃদ্ধি, টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি সংক্রান্ত উদ্ভাবনসমূহ। প্রজেক্টের পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক পোস্টার, প্রোটোটাইপ, গবেষণা কার্যক্রমের তথ্যচিত্র এবং লিফলেটের মাধ্যমে বাকৃবির সার্বিক অগ্রযাত্রা তুলে ধরা হবে।
আয়োজক সূত্রে আরও জানা যায়, ১২ সেপ্টেম্বর সকালে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী পর্বে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার উপস্থিত থাকবেন। পুরো কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভুঞাঁকে আহ্বায়ক এবং অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীরকে সদস্যসচিব করে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান বলেন, "কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাকৃবির অবদান অনস্বীকার্য। এই ইনোভেশন ফেয়ার আমাদের উদ্ভাবনগুলোকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে কৃষক ও শিল্পোদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারবেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারবেন কীভাবে তাদের গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তব ‘নলেজ ইকোনমি’তে রূপান্তর করা যায়।"
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহামসহ বিভিন্ন অনুষদের জ্যেষ্ঠ গবেষক ও বিভাগীয় প্রধানগণ।
উল্লেখ্য, এবারের উদ্ভাবনী মেলায় দেশের ৭৩টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রদর্শনী ছাড়াও তিন দিনে ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল সেশন এবং ৫টি গোলটেবিল বৈঠকসহ মোট ১৭টি পলিসি ডায়ালগ ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...