বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আমানউল্লাহপুর ইউনিয়নের লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে এবং বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাদেরকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাকুড়িয়ার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার উল্লার দুই ছেলে মজিব উল্যা ও প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের মধ্যে বসতবাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার বিকেলে ওই বিরোধীয় জমিতে ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে শরিফ উল্যার ছেলেমেয়েদের আঘাতে মজিব উল্যার মেয়ে শারমিন চোখের অংশে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
ঘটনাটি জানতে পেরে বিকেল ৪টার দিকে পার্শ্ববর্তী গোপালপুর ইউনিয়নের রসূলপুর গ্রাম থেকে শারমিনের স্বামী মো. ইস্রাফিল একদল সশস্ত্র লোক নিয়ে এসে চাচা শ্বশুর প্রয়াত শরিফ উল্যার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারীদের মধ্যে দুজনের হাতে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে এবং তাদের কয়েকজন মুখোশ পরা অবস্থায় শরিফ উল্যার পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যদের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তারা শরিফ উল্যার বসতঘরে ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালান।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার পর শরিফ উল্যার ছোট ছেলে মোবারক উল্যাহ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ওসি আরও জানান, মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহার দায়েরের পর পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত ইস্রাফিল, তার বাবা তোফায়েল আহমেদ এবং তার শ্বশুর মজিব উল্যাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...