বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা এবং রাষ্ট্রবিরোধী নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। তিনি বিভিন্ন ভুয়া তথ্য ও উসকানিমূলক পোস্টের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছিলেন বলে গোয়েন্দা নজরদারিতে উঠে আসে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মাসুদ রানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধের অতীত রেকর্ড রয়েছে। এর আগেও একই অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই মামলায় প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। তবে কারাগার থেকে বেরিয়ে তিনি নিজেকে শুধরে নেননি; বরং জামিনের শর্ত ও আইনের তোয়াক্কা না করে পুনরায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী প্রচারণায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
অভিযান ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ বলেন, “সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছিল সে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যা তথ্য কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী উসকানি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...