বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গোপালগঞ্জ বস্ত্র মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিটু শিকদার ও এলিট ফেব্রিক্সের স্বত্বাধিকারী নিয়ামুল। ভুক্তভোগী নারী তৃশা বেগমের করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার অভিযোগ ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে তৃশা বেগমসহ দুই নারী কাপড় কেনার উদ্দেশ্যে শহরের কাপড়পট্টিতে যান। একটি দোকানে কাপড় দেখার পর পছন্দ না হওয়ায় তাঁরা কিছু না কিনেই দোকান থেকে বের হয়ে আসেন।
তৃশা বেগমের অভিযোগ, দোকান থেকে বের হওয়ার পর কয়েকজন ব্যবসায়ী ও কর্মচারী তাঁদের পথরোধ করেন। এ সময় তাঁদের হাতে থাকা ব্যাগ নিয়ে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং চুরির অপবাদ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজ করা হয়। পরে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এমনকি তাঁদের ব্যাগে জোর করে কাপড় ঢুকিয়ে দিয়ে চোর হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় দুই নারীকে আটকে রাখার পাশাপাশি তাঁদের মারধরের ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় তৃশা বেগম মামলা করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে অভিযান চালিয়ে রিটু শিকদার ও নিয়ামুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে দুই নারী সত্যিই কোনো দোকান থেকে কাপড় নিয়েছিলেন কি না, তাঁদের আটকে রেখে মারধরের ঘটনায় কারা সরাসরি জড়িত এবং ব্যাগে কাপড় ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা কী—এসব বিষয় এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
এদিকে, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে চোর হিসেবে আখ্যা দিয়ে মারধর এবং সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও মামলার তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...