বিজ্ঞাপন
কিভাবে শুরু? এমন প্রশ্নের উত্তরে দ্বীন ইসলাম জানান, টিকটকে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আমিরা কয়েকজন বন্ধু মিলে এই গ্রামীন রাস্তার পাশে একটি ছোট্ট মালাই চায়ের দোকান শুরু করেছি। পরিচিতি পেতে কিছু সময় লাগলেও এখন মোটামুটি প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে ৩ শতাধিক লোক চা ও পোড়া রুটি খেতে আসে। এখানে শিবচরসহ আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মানুষ আসছে।
আরেক উদ্যোক্তা সবুজ জানান, প্রথম দিকে দোকানের স্থাপনা নির্মাণের সময় স্থানীয় অনেকেই তাদের নিয়ে হাস্যরস করেন। তবে এসব উপেক্ষা করে নিজেদের উদ্যোগে তারা শুরু করেন চায়ের ব্যবসা। কিন্তু এখন তাদের দোকানে মালাই চা এবং পোড়া রুটি খেতে এখানে আসেন শিবচর সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ। প্রতিদিন গড়ে সাত থেকে আট হাজার টাকা আয় করেন তারা। খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় এক লক্ষাধিক টাকা এখন আয় করছেন তারা।
চা খেতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতা। জাহিদুল ইসলাম নামের একজন বলেন,❝ রাস্তাটি অনেক চাপা মানুষের ভীড়ে যানবাহন চলাচল আটকে যায়। আবার অনেকে পরিবার সহ আসেন। যে কোন সময় বাচ্চাদের একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে সব কিছু মিলিয়ে জায়গাটি অনেক সুন্দর। এই চা আর পোড়া রুটির সম্মিলিত স্বাদ এক কথায় অসাধারন❞।
প্রত্যন্ত এক এলাকার যুবকদের এই উদ্যোগে খুশি এলাকাবাসী। শিক্ষিত যুবকরা লেখাপড়ার পাশাপাশি এভাবে কর্মসংস্থানে জড়ালে এলাকায় উন্নয়নের ছোয়া লাগবে বলেও মনে করেন তারা। বেকারদের জন্য এই যুবকরা আইডল হতে পারে বলেও মনে করেন স্থানীয় মানুষজন
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...