বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান ঘটনাটিকে ‘আওয়ামী সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই বিনা চ্যালেঞ্জে যেতে দেওয়া হবে না।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রতিশোধ নেওয়া নয়, বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত চায় ঢাকা। পুনর্মিলনের পথ তৈরি করতে হলে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দলটির মধ্যে এখন পর্যন্ত অনুতাপের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং দলটি বিভিন্ন ধরনের সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে, কারণ শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন—এটি দলটির আপত্তির কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে। এ ছাড়া অভিনেত্রী বাঁধনকেও হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে পুনর্মিলনের সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রকাশ্যে সহিংসতা ও সন্ত্রাসে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে—এমন একটি দলের সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। পুনর্মিলনের ন্যূনতম সম্ভাবনা থাকলে আওয়ামী লীগেরই নিজেদের অবস্থান থেকে সে বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, গত দুই বছরে দলটির আচরণ পর্যবেক্ষণ করে পুনর্মিলনের কোনো সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। ক্ষমা চাওয়া বা অনুতাপ প্রকাশের পরিবর্তে দলটি হুমকি দিচ্ছে এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং সহিংসতা ও অপরাধের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিই সরকারের অবস্থানে গুরুত্ব পাচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...