বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এই চিঠিতে তিনি তৃণমূলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাঁদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানান। চিঠিটি প্রকাশ্যে আসার পর চাটখিলসহ স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন।
খোলা চিঠিতে যুবদল নেতা মাসুদ রানা উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে কেবল কেন্দ্রীয় বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক নেতারাই ত্যাগ স্বীকার করেননি; বরং জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের অসংখ্য সাধারণ নেতাকর্মীও সমপরিমাণ হামলা, মামলা, শারীরিক নির্যাতন ও কারাবরণের মুখোমুখি হয়েছেন। দলের দুঃসময়ে পরিবার, নিজস্ব জীবিকা ও ব্যক্তিগত জীবন তুচ্ছ করে এ সকল কর্মীই রাজপথ আঁকড়ে রেখেছিলেন।
তৃণমূলের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করেন—কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতারাই যদি কেবল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান, তবে প্রান্তিক পর্যায়ের এসব ত্যাগী নেতাকর্মীদের দুঃখ-কষ্ট ও অবদানের কথা কার মাধ্যমে পৌঁছে যাবে? তাঁদের মূল্যায়নের দায়িত্বই বা কে নেবে?
মাসুদ রানা জোর দিয়ে বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের প্রকৃত চালিকাশক্তি হলো তার তৃণমূল। তাঁদের রক্ত ও ঘামকে অবহেলা করে কোনো সংগঠনকে বাস্তবে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। এ প্রেক্ষাপটে তিনি কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি তৃণমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগী কর্মীদের সাথেও প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের পরিবেশ সৃষ্টির আকুল আবেদন জানান।
চিঠিতে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, দলের দুঃসময়ে যারা রাজপথে সামনে থেকে লড়াই করেছেন, সুসময়ে যেন তাঁদের অবমূল্যায়ন না করা হয়। পদ-পদবি বা বাহ্যিক পরিচয়ের চেয়ে ত্যাগ, আনুগত্য ও দলের প্রতি ভালোবাসাকেই মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড করার তাগিদ দেন তিনি।
নিজেকে তৃণমূলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করে চিঠির শেষভাগে তিনি আশা ব্যক্ত করেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিএনপি আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও তৃণমূলবান্ধব রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে উঠবে।
তৃণমূলের মর্যাদা রক্ষা ও সরাসরি মতবিনিময়ের এই দাবি সংবলিত খোলা চিঠিটি স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
প্রতিবেদক- মোঃ সিরাজুল ইসলাম হাসান, চাটখিল, নোয়াখালী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...