বিজ্ঞাপন
নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক পদে মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব পদে আখতার হোসেন বহাল রয়েছেন। এ ছাড়া সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ। সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। নতুন কমিটিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়েও সাংগঠনিক দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
শাহরিন সুলতানা ইরা ঝিনাইদহ শহরের অগ্নিবীণা সড়কের ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি সক্রিয়ভাবে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী সময়ে জাতীয় রাজনীতিতে যুক্ত হন শাহরিন সুলতানা ইরা। তিনি ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)-এর মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। দলটির আগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এবার তাঁকে খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন এই দায়িত্বের মাধ্যমে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমের সমন্বয়, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ এবং দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
শাহরিন সুলতানা ইরার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তিতে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির ঝিনাইদহ জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়া।
তিনি বলেন, “শাহরিন ইরার এই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তি আনন্দের বিষয়। আমি তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই। আশা করি, তাঁর অভিজ্ঞতা, মেধা ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে খুলনা বিভাগে এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ, গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করি।”
হামিদ পারভেজ মিয়া আরও আশা প্রকাশ করেন, শাহরিন ইরার নেতৃত্বে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়বে।
শাহরিন সুলতানা ইরার নতুন নিয়োগকে ঘিরে ঝিনাইদহের রাজনৈতিক অঙ্গনেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জেলার একজন রাজনৈতিক কর্মীর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব পাওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। নতুন দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে খুলনা বিভাগে এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে শাহরিন ইরা কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...