বিজ্ঞাপন
শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সম্ভাব্য আক্রমণ নিয়ে তিনি কতটা দূর এগিয়েছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এটি করার কথা ভাবছি, আর হয়তো আগামীকালই।”
তবে নিজের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে রাখঢাক রেখে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, “আপনারা কি আসলেই মনে করেন আমি আপনাদের বলে দেব যে, আমি এটি করতে যাচ্ছি কি না?”
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর মাধ্যমে ইরান চাইলে এখনো বড় ধরনের সামরিক সংঘাত এড়াতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু মূল সমস্যা হলো- তারা কি শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি টিকিয়ে রাখতে পারবে?”
ইরানকে যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, অতীতে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে চালানো সামরিক অভিযানগুলো দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধান নিশ্চিত করতে পারত না।
এ বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, “আমাকে এটি চিরস্থায়ী করতে হবে। কেবল এ কারণেই আমি এটি করছি।”
বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুদ্ধের আগের অবস্থার তুলনায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের চালান বা রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তিনি এর সমর্থনে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান বা তথ্য প্রকাশ করেননি।
পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানিয়ে সামরিক আক্রমণ এবং শান্তি আলোচনা- উভয় পথকেই সমানভাবে খোলা রেখেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমাকে হয়তো বিষয়টি শেষ করতে হবে, অথবা হয়তো তারা একটি চুক্তি করবে। তবে আমি নিশ্চিত নই। যেকোনো উপায়েই হোক, আমরাই জিতব।”
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ এবং এর জেরে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়া বৃহত্তর সংঘাত এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। এর আগে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত করার সমঝোতা হলেও বর্তমান পরিস্থিতি এখনো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...