বিজ্ঞাপন
শিক্ষা বোর্ডের তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ি মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পুলেরহাট আদর্শ কলেজ, বাগডোকড়া নিমোজখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নয়নখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তরণীবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীচাপ সৃজনশীল কলেজ, ডিমলা জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং খগাখড়িবাড়ি ওমেন্স কলেজসহ আরও কয়েকটি কলেজ ও মাদ্রাসা।
এমন চরম বিপর্যয় নিয়ে কথা বললে স্থানীয় শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জানান, গ্রামীণ এলাকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষার্থী উপস্থিত রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অধিকাংশ শিক্ষার্থী ক্লাসে অনিয়মিত থাকে এবং পরীক্ষার আগে তাড়াহুড়ো করে প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করে।
এছাড়া একাধিক শিক্ষক বলেন, "এমপিওভুক্ত না হওয়া বা অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি থাকায় অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক দীর্ঘদিন টিকতে পারেন না। প্রয়োজনীয় শিক্ষকসংকট ও মানসম্মত পাঠদানের উপকরণের অভাবে শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...