বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঝালকাঠি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ঝালকাঠি কমান্ডের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর কবীর, ঝালকাঠি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল মন্টু এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব সত্যবান সেনগুপ্ত।
বক্তারা বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় সম্মান, জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আত্মগোপনে চলে যান ৮৭ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী। টুঙ্গিপাড়ায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় গত ২৪ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়।
পরে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলে জামায়াত-সমর্থিত কর্মীরা আপত্তি জানান বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে পুলিশ লাইনে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। গভীর রাতে পুলিশ পাহারায় তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড হয়েছিল। ওই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট রাতে কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...