বিজ্ঞাপন
স্থানীয়রা জানান, স্কুলের খোলা মাঠে বীজতলা তৈরির ফলে শিশু শিক্ষার্থীরা গত এক মাস ধরে খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, “আগে আমরা এখানে খেলাধুলা করতাম, কিন্তু এখন মাঠে ধানের বীজ চাষের কারণে আমরা খেলতে পারছি না।”
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসে টানা বর্ষণের কারণে এলাকার কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে যায়। তাই বিদ্যালয়ের খোলা মাঠে বীজতলা করা হয়েছে। তবে অনেক অভিভাবক এবং স্থানীয়রা মনে করছেন, বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে ধান চাষ করা ঠিক হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পরিবেশও নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ঘটনার সময় সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষক খাইরুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকার করেন। উল্টো, সাংবাদিকদের অসৌজন্যমূলক আচরণ করে ধাক্কা দেয়ার চেষ্টা করেন এবং ক্যামেরা ও লোগোতে হাত দিয়ে আক্রমণের চেষ্টা করেন। পরে তিনি অফিস রুমের দরজা বন্ধ করে রাখেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবহিত হয়েছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের তথ্য চাইতে কোনো বাধা দেওয়া যায় না।”
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “আমি আজই বিষয়টি জানতে পেরেছি। খুব দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠকে আবার খেলাধুলার পরিবেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে। সাংবাদিকদের আক্রমণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিদ্যালয়ের মাঠে ধান চাষের এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীরা যাতে আবার খেলাধুলা করতে পারে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের তৎপরতা আগামী দিনে সবাই আশা করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...