ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের শাহবাগ থানায় নেওয়া হচ্ছে। শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদ বলেন, “এখন তো এখান থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। পরে সিনিয়র কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।”
এর আগে সকালে ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে সংগঠন ‘মঞ্চ ৭১’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল গণফোরামের সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেনের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা জানান, “দল-মতের সব মুক্তিযোদ্ধাদের এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমরা প্রোগ্রাম শুরু করেছিলাম। লতিফ সিদ্দিকী সাহেব এসেছেন, তবে কামাল হোসেন সাহেব আসেননি। এর মধ্যে ২০-২৫ জন যুবক এসে হৈচৈ শুরু করে এবং আমাদের ঘিরে ফেলে। তবে তারা কারও গায়ে হাত দেয়নি।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে আল আমিন রাসেলের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক মিলনায়তনে প্রবেশ করে লতিফ সিদ্দিকী ও অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। তারা মিলনায়তনে প্রবেশ ও অবস্থান ঠেকাতে চেষ্টা চালান।
এসময় ভাঙা একটি টেবিলসহ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ঘটনাস্থলে অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি একদল যুবককে হৈচৈ করতে দেখা গেছে। পরে দুপুরে এডিসি হাফিজ আল আসাদের নেতৃত্বে পুলিশ লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...