বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে এই ঘোষণা অনুষ্ঠান শুরু হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। দলীয় সূত্রমতে, এবারের ইশতেহারে গত দেড় দশকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং জুলাই সনদকে মূল ভিত্তি হিসেবে রেখে তরুণ ভোটারদের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জনজীবনের মানোন্নয়নে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও বৈপ্লবিক কর্মসূচির ঘোষণা থাকতে পারে আজকের ইশতেহারে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড এবং কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধাসম্বলিত কৃষক কার্ডের মতো জীবনঘনিষ্ঠ সেবাগুলো চালুর প্রতিশ্রুতি অন্যতম। এছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং মানবাধিকার রক্ষায় কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তোলা এবং অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ ও যুগোপযোগী দিকনির্দেশনাও থাকবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি আলেম-ওলামা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকারের বিষয়টিও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দলটির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এটি কেবল একটি নির্বাচনি ইশতেহার নয়, বরং একটি আধুনিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের দলিল। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবী নেতারা। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই ইশতেহার ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলেও বিশেষ বার্তা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...