Logo Logo

সাতক্ষীরায় বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ


Splash Image

বিনম্র শ্রদ্ধা আর আর ভালোবাসায় অমর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের স্মরণ করেছে সাতক্ষীরাবাসী। এসময় ফুলে ফুলে ভরে যায় সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদী।


বিজ্ঞাপন


ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার রাত ১০টার পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন ব্যানার নিয়ে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সমবেত হতে থাকে।

রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুরু হয় শ্রদ্ধা নিবেদন। প্রথমেই শ্রদ্ধা জানান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। এরপর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরেফিন জুয়েল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ, সাতক্ষীরা পৌরসভা, সদর উপজেলা প্রশাসনসহ এক একে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা শহীদদের প্রতি সম্মান জানান।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন-মহিলা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা জানান জাসাস ও অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও।

সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, সড়ক বিভাগ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব, প্রথম আলো বন্ধুসভা, জেলা নাগরিক কমিটি, সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট ক্লাব, চেম্বার অব কমার্স, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি শ্রদ্ধা জানায়। এ ছাড়া দৈনিক পত্রদূত, সাতক্ষীরা জেলা স্কাউটস, সনাক, সুজন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশের চেতনায় শহীদ বেদি আলোকিত করে তোলে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, দিবা-নৈশ কলেজ, সিটি কলেজ ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রভাতফেরি ও মিছিলে অংশ নেন। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জেলা সদর ছাড়াও তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলায় একুশের প্রথম প্রহরে অনুরূপ আয়োজনে শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে।

এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কড়া নজরদারি পালন করেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...