বিজ্ঞাপন
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে সরাইল উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রস্তুতির সময় এ ঘটনা ঘটে।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু বকর সরকার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার উপস্থিতিতেই এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সমর্থকদের নিয়ে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে সেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুল ইসলাম ঠাকুর ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারের নেতৃত্বে একটি মিছিল উপস্থিত হয়। এ সময় বিএনপির একদল নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এর জবাবে তাঁর সমর্থকরাও পাল্টা স্লোগান দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। চরম উত্তেজনার মুখে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই নেতাকর্মীদের নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।
ঘটনার পর রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, "ত্রয়োদশ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার বিজয় মেনে নিতে না পেরে বিএনপির নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ও আমার কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।" এই হামলার প্রতিবাদে তাঁর সমর্থকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর এলাকায় আগুন জ্বালিয়ে কিছু সময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বকর সরকার ঘটনাটিকে দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, শহিদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় উভয় পক্ষের শৃঙ্খলা মেনে চলা উচিত ছিল।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, শহিদ মিনারে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...