বিজ্ঞাপন
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহিদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অর্ধনমিত রাখা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া প্রভাতফেরি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সকাল ৮টা থেকে বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ, আবাসিক হল এবং ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, “ভাষা শহিদদের অবদানে বাংলা ভাষা আজ বিশ্বে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষায়, বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় পর্যাপ্ত বইয়ের ঘাটতি রয়ে গেছে। সর্বত্র বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষকদের আরও ভূমিকা রাখতে হবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের ভাষাজ্ঞান বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনার কথা জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, “একুশই আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার পথ দেখিয়েছে। মাতৃভাষা রক্ষার এই মহান আত্মত্যাগ বাঙালি জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে।”
জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মানবিকী অনুষদের ডিন মো. আব্দুর রহমান, রেজিস্ট্রার মোঃ এনামউজ্জামান এবং প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ অনেকে।
সভা শেষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাদ আসর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...