বিজ্ঞাপন
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষক স্বল্পতা, পর্যাপ্ত ক্লাসরুমের অভাব, পরিবহন ও তীব্র আবাসন সংকটে জর্জরিত হয়ে আছে এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একই সময়ে বা তার কাছাকাছি সময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যতটা আধুনিক ও অবকাঠামোগতভাবে এগিয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন দৃশ্যমান নয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এসব মৌলিক সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা আরও আক্ষেপ করে জানান, ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ববির প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। তাদের ভাষ্যমতে, অনেকটা পরিবারের অবহেলিত সন্তানের মতোই ববি তার প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে এত প্রতিকূলতার মাঝেও বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা ও ভালোবাসা রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ বছরে পদার্পণ নিয়ে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী গালিব বলেন, এটি কেবল একটি সময়ের মাইলফলক নয়, বরং এটি আমাদের স্বপ্ন ও সংগ্রামের সম্মিলিত ইতিহাস। অনেক অবকাঠামোগত অপূর্ণতা সত্ত্বেও আমরা একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সাফল্য ধরে রাখার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে ববি জ্ঞান ও সৃজনশীলতায় আরও সমৃদ্ধ হবে—এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রনি খান আবাসন সংকটের চিত্র তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ১৫-২০ শতাংশের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। সিংহভাগ শিক্ষার্থীকে চড়া দামে বাইরে বাসা ভাড়া করে থাকতে হচ্ছে। এ ছাড়া লাইব্রেরিতে বইয়ের স্বল্পতা ও আসন সংকটে শিক্ষার সঠিক মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে এসব সংকট দূর করা এখন সময়ের দাবি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...