বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআরের সদর দপ্তরে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নৃসংশভাবে হত্যা করা হয়। এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্য একটি অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। এটি কেবল একটি হত্যাকাণ্ড ছিল না, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ধসিয়ে দেওয়ার এক গভীর চক্রান্ত ছিল।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও উল্লেখ করেন, এত বিপুল সংখ্যক মেধাবী কর্মকর্তাকে হারিয়ে সেনাবাহিনী বড় ধরনের সংকটে পড়লেও দেশের আপামর জনগণ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জনগণের এই প্রতিরোধই ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য নস্যাৎ করে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করার বড় সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মন্ত্রী শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি পিলখানার এই ক্ষত কাটিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...