Logo Logo

প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবারে ইফতারের আমন্ত্রণ জানালো জামায়াতে ইসলামী


Splash Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দাওয়াত দিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে যোগদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামায়াতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের এই দাওয়াত গ্রহণ করেছেন। বর্তমান সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামায়াত নেতাদের এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উভয় পক্ষের মধ্যে এই শুভেচ্ছা বিনিময় সম্পন্ন হয়।

সাক্ষাৎকার চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুঠোফোনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। আলোচনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, রাজনীতির যাবতীয় বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত জাতীয় সংসদ। তার এই সময়োপযোগী বক্তব্যের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন জামায়াত নেতারা।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজপথে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন বা মতপ্রকাশের সুযোগ থাকলেও অতীতের নেতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার পুনরাবৃত্তি কাম্য নয়। তারা মনে করেন, বর্তমান সরকারকে মূল্যায়নের সময় এখনো আসেনি; বরং পুরো জাতি একটি সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় প্রহর গুনছে। দেশের অগ্রগতির স্বার্থে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে চমৎকার সমন্বয় ও সংহতি থাকা জরুরি বলে তারা বিশ্বাস করেন।

সাক্ষাৎ শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জাতীয় সংসদে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোর সমাধান সম্ভব। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এই নতুন ধারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে। ইফতার মাহফিলের এই আমন্ত্রণকে তারা রাজনৈতিক সম্প্রীতি স্থাপনের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে জামায়াত নেতারা বর্তমান প্রশাসনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। তারা মনে করেন, সুন্দর সমন্বয়ের মাধ্যমেই দেশকে একটি স্থিতিশীল ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই ইফতার অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দেরও উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আলোচনার মধ্য দিয়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত পাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...