ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শনকালে ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টাকে একটি 'জীবন্ত জাদুঘর' হিসেবে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক ও উগ্রবাদী শক্তি সবসময়ই প্রগতির অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। তবে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, অতীতে তারা কখনও সফল হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শুরু থেকেই এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তোলা হয়েছিল। বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তদন্ত কার্যক্রম দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, তদন্তের দায়িত্ব সরকারের এবং বিচারের দায়িত্ব বিচার বিভাগের।
তদন্ত সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তিনি বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দিতে হবে। এই হামলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিয়ে সারাবিশ্বে ভুল বার্তা গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের মাধ্যমে বিশ্বকে উল্টো বার্তা দিতে চায় সরকার। বাংলাদেশে প্রগতির পথ কেউ রুদ্ধ করতে পারবে না। সরকার স্বাধীন গণমাধ্যম এবং বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার ক্ষমতায় এসেছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, স্বাধীন গণমাধ্যম নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এবং ডিবির অতিরিক্ত কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...