বিজ্ঞাপন
সাধারণত অ্যাপল তাদের সাশ্রয়ী মডেলগুলো বছরের শুরুর দিকেই বাজারে আনে। গত ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আইফোন ১৬ই উন্মোচন করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতি ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসেই নতুন এই সংস্করণটি বাজারে আসার প্রবল সম্ভাবনা দেখছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
নতুন আইফোন ১৭ই-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে যাচ্ছে এর অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের শক্তিশালী পরিবর্তন। ধারণা করা হচ্ছে, এতে অ্যাপলের সর্বাধুনিক ‘এ১৯’ (A19) চিপ ব্যবহার করা হবে, যা ফোনের গতি ও কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা মেটাতে এবার যুক্ত হতে পারে ‘ম্যাগসেফ’ ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা।
গারম্যান আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ফোনে অ্যাপলের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি সর্বশেষ সেলুলার ও ওয়্যারলেস চিপ ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি আনা হচ্ছে। অত্যাধুনিক ফিচার যুক্ত হলেও ফোনটির দাম আগের মডেলের মতোই ৫৯৯ ডলার রাখা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
তবে স্ক্রিন ডিজাইনের বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছুটা ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। আগের মডেলে পুরনো ধাঁচের নচ ডিজাইন থাকলেও আলোচনা ছিল যে নতুন মডেলে ‘ডাইনামিক আইল্যান্ড’ ফিচার যুক্ত হবে। যদিও মার্ক গারম্যান তার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই নকশা পরিবর্তনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রদান করেননি।
২০২৬ সালকে অ্যাপলের জন্য একটি অত্যন্ত ব্যস্ত বছর হিসেবে অভিহিত করছেন বিশ্লেষকরা। আইফোন ১৭ই দিয়ে বছরের শুরু হলেও বছরজুড়ে ওএলইডি ডিসপ্লে সংবলিত আইপ্যাড মিনি, নতুন আইপ্যাড এয়ার এবং শক্তিশালী ‘এম৫’ চিপযুক্ত ম্যাকবুক এয়ার আসার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ১৪ ও ১৬ ইঞ্চি ম্যাকবুক প্রো এবং ম্যাক স্টুডিওর নতুন সংস্করণও পাইপলাইনে রয়েছে।
সূত্র: ব্লুমবার্গ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...