বিজ্ঞাপন
আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৩টায় ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।
জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
জানাজা নামাজ শেষে ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরহুম এই জাতীয় নেতার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদর্শন করা হয়। এ সময় পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। এরপর উপস্থিত সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ তাঁর নিজ গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
জানাজায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা দেশের রাজনীতি, মহান মুক্তিযুদ্ধ, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জনকল্যাণে তোফায়েল আহমেদের অসামান্য ও ঐতিহাসিক অবদানের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
কিংবদন্তি এই রাজনীতিকের মৃত্যুতে ভোলাসহ দেশজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর প্রয়াণে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও দেশ-বিদেশে থাকা অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, বর্ষীয়ান এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গত সোমবার (১ জুন) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...