বিজ্ঞাপন
হাসপাতালের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, ডা. লুৎফুন নাহারের ডান হাত একটি দুর্ঘটনায় ভেঙে গেছে বলে হাসপাতালে গুঞ্জন রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কেউ দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রদান করতে পারেননি।
বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হাসপাতালের অফিস সহকারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ডা. লুৎফুন নাহারের ছুটির আবেদনপত্র বা ছুটি মঞ্জুর সংক্রান্ত কোনো নথি দেখাতে পারেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই অফিস সহকারী জানান, “ছুটির কোনো আবেদনপত্র বা অনুমোদনের কাগজপত্র আমার শাখায় নেই। সাধারণত চিকিৎসকদের ছুটির আবেদন বা অনুমোদন হলে সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক নথি আমার কাছেই সংরক্ষিত থাকার কথা।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস জানান, ডা. লুৎফুন নাহার একটি দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় কর্মস্থলে উপস্থিত হতে পারছেন না। তিনি অসুস্থতার কারণে দুই দফায় ছুটির আবেদন করেছেন বলেও দাবি করেন তত্ত্বাবধায়ক। এছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, উক্ত চিকিৎসক শারীরিক সুস্থতা বিবেচনা করে পুনরায় ছুটির আবেদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে হাসপাতালে ছুটির কোনো রেকর্ড নেই কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে এবং তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেষ বিশ্বাসের কাছে ডা. লুৎফুন নাহারের ছুটির মূল আবেদনপত্র বা ছুটি অনুমোদনের কোনো দাপ্তরিক নথি দেখতে চাওয়া হলে তিনি তা প্রদর্শন করতে পারেননি। ফলে চিকিৎসকের এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং ছুটির প্রক্রিয়া নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
গাইনি বিভাগের মতো একটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এক মাস ধরে অনুপস্থিত থাকায় সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা বা সেবা কার্যক্রমে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...