বিজ্ঞাপন
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কাহারোলে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সবাই রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানান।
স্থানীয় ৭৪ বছর বয়সী কুলসুম বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই সাহাপাড়া খাল খননের সূচনা করেছিলেন। দীর্ঘ ৫ দশক পর তাঁরই সুযোগ্য সন্তান সেই একই স্থানে এসে বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন।
এর আগে সকাল ১০টায় নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে চড়ে তিনি দিনাজপুরের বলরামপুর সাহাপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে হাজার হাজার মানুষ হাত নেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
সাহাপাড়া খালটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত। এটি ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করে মহানন্দা নদীতে মিশেছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে খালটি ভরাট হয়ে গিয়েছিল।
গৃহবধূ শিউলী খাতুন ও শিক্ষার্থী আল আমিনের মতে, এই পুনঃখননের ফলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং খালের দুপাড়ে বনায়ন ও মাছ চাষের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে।
স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননে অংশ নেওয়া অনিতা নামের এক নারী বলেন, "আজ আমাদের খুশির দিন। আমাদের নেতা এসেছেন, এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।" স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে কেবল খাল খনন নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে দেখছেন।
দিনাজপুরের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুর গোরস্তানে নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানা গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...