বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত জামান খালাসী ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ওই যুবতীর বিয়ে হয় পাশের একটি গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে ফেরার পথে জামান খালাসী ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী তাকে জোরপূর্বক একটি কালাই ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
এই ঘটনায় পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিরাজ হোসেন। তিনি ২০১৮ সালের ১৮ জুন তদন্ত শেষে জামান খালাসীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করলেন।
আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আদালত এই সাজা প্রদান করেছেন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...