বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে গোপালগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শামছুল হক এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল কাশিয়ানী উপজেলার বেথুড়ী ইউনিয়নের জোৎকুড়া গ্রামের সিরাজ সরদারের ছেলে। রায় ঘোষণার পর উপস্থিত আসামিকে সাজা পরোয়ানাসহ জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে রফিকুলের সঙ্গে কাশিয়ানীর রাজপাট গ্রামের কুদ্দুস শেখের মেয়ে নিলুফা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রফিকুল যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর ওপর শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। এর প্রেক্ষিতে নিলুফা বেগম আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রফিকুল ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর ভোরে নামাজে যাওয়ার পথে ওত পেতে থেকে শ্বশুর কুদ্দুস শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রাহেলা বেগম বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক বিশ্লেষণ শেষে আদালত আসামির বয়স বিবেচনায় ৩০২ ধারায় এই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হাফিজুর রহমান রায়ের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...