বিজ্ঞাপন
সোমবার (৬ এপ্রিল) কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই-ঢাকার পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম সোমবার সকালে আদালতে হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ক একটি লিখিত প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে বিচারক সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, এর আগে তনুর ব্যবহৃত পোশাক থেকে তিন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল সংগ্রহ করা হয়েছিল, যা এতদিন ম্যাচিং করা হয়নি। বর্তমানে সন্দেহভাজন ওই তিনজনই সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গিয়েছেন বলে জানা গেছে।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের নিকটবর্তী একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় ২০২০ সালে মামলাটি পিবিআই-এর হাতে হস্তান্তর করা হয়।
আদালতে উপস্থিত তনুর বাবা ইয়ার হোসেন আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন লন্ডনে ছিলেন, তখন বলেছিলেন ক্ষমতায় আসলে তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাইব। দেশের সব হত্যার বিচার হলেও আমার মেয়ের বিচার কেন হবে না?" তিনি আরও জানান, গত ১০ বছর ধরে বিচারের আশায় তারা দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি আদালতকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পিবিআই সদর দপ্তরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...