বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত নয়ন দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তার অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। অবশেষে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জীবননগরে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে হেফাজতে নিতে সক্ষম হয় মহেশপুর থানা পুলিশ।
মহেশপুর থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, গ্রেপ্তারকৃত নয়নের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়াও এই মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ওপর এমন পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় পুরো মহেশপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামির দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আসামিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...