বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে কথা বলবে। তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশ দুটির প্রতিনিধিরা সরাসরি টেবিলে বসেছেন। এই ঐতিহাসিক বৈঠকে পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত রয়েছেন।
বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তার সঙ্গে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জার্ড কুশনার।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে আলোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তিন পক্ষ বর্তমানে মুখোমুখি সংলাপে লিপ্ত। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও উপস্থিত আছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর দুই পক্ষের মধ্যে টানা ৪০ দিন ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও তা শুরু থেকেই অত্যন্ত ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।
এই আলোচনার গুরুত্ব সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যদি এই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তবে ইরানে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। সম্ভাব্য এই হামলার জন্য মার্কিন রণতরীগুলোকে ইতিমধ্যে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের এই সরাসরি সংলাপ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতায় কতটা ভূমিকা রাখবে, বিশ্ববাসী এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...