ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
সামরিক বিশ্লেষক আব্দুলরেজা সিদ্দিক ফারস নিউজকে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়েও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেন, “যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক সংকেত বা গতিবিধিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে আকাশ প্রতিরক্ষা অপারেটররা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকেন।” তিনি আরো জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামান্যতম ভিজ্যুয়াল বা ইলেকট্রনিক সংকেত পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিশ্লেষক সিদ্দিক জানান, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মতোই রাজধানীর আকাশসীমায় নজরদারি জোরদার করতে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হচ্ছে। ড্রোন ট্র্যাকিং এবং ইন্টারসেপ্ট করার জন্য এগুলো নিয়োজিত। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু এলাকায় শোনা যাওয়া শব্দগুলো কোনো হুমকি নয়, বরং নজরদারিতে থাকা ইরানি বিমানেরও হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির এই সময়টিকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন রাডার ইউনিট স্থাপন এবং বিমান বিধ্বংসী অস্ত্রের মেরামতের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব সিস্টেমের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা জরুরি, যা সাম্প্রতিক এই শব্দের একটি কারণ হতে পারে।
প্রতিবেদনে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামোর একটি বড় পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান এখন তাদের কেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্কভিত্তিক ‘স্পাইডার’ সিস্টেম থেকে বিকেন্দ্রীভূত ‘মোজাইক’ মডেলে সরে আসছে। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি প্রতিরক্ষা ইউনিট স্বাধীনভাবে এবং স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা যেকোনো বড় ধরনের হামলায় পুরো নেটওয়ার্ক অচল হওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...