ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
১৮৩৬ সালে রূপসা নদীর পূর্বপাড়ে তালিমপুর-রহিমনগরের সন্নিকটে কিসমত খুলনা মৌজায় নয়াবাদ নামে একটি থানা স্থাপন করা হয়। এ থানা স্থাপনের পূর্বে এ অঞ্চলের থানা ছিল যশোর জেলা সদরের মুড়লীতে। ১৮৪২ সালে খুলনা মহাকুমার যাত্রা শুরু হয়। এটি দেশের প্রথম মহকুমা। ইংরেজ এম এ জি শো মহকুমা প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট। উইলিয়াম রেনি নামে একজন নীলকর এ অঞ্চল শাসন করতেন। তার নাম অত্যাচারী শাসক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান পান। ১৮৮২ সালে খুলনা জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ১৮৪২ সালে খুলনা সদর, ১৮৬১ সালে সাতক্ষীরা এবং ১৮৬৩ সালে বাগেরহাট মহকুমা সৃষ্টি হয়। তখন খুলনা জেলার আয়তন ছিল ৪ হাজার ৬৩০ বর্গমাইল, লোকসংখ্যা ৪৩ হাজার ৫০০। ইংরেজ ডাব্লউ এম ক্লে খুলনার প্রথম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। জেঃ এরশাদের জামানায় ১৯৮৪ সালে সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট পৃথক জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর কবল থেকে খুলনা মুক্ত হয়।
খুলনার জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়েছে। বৃহত্তর উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি আজ শনিবার সকাল ১০টায় শিববাড়ি মোড় থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। এছাড়া দুপুরে মেজবানি। কেসিসি’র প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এবারের খুলনা দিবসে আকর্ষণীয় আয়োজন স্মরণীয়-বরণীয় ব্যক্তিদের সম্মাননা।
স্মরণীয়-বরণীয় ব্যক্তিরা হচ্ছেন ভাষা সংগ্রামী বেগম মাজেদা আলী, সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. মোঃ এনায়েত আলি, শিক্ষাবিদ প্রফেসর জাফর ইমাম, অধ্যক্ষ মোহাম্মাদ মাজহারুল হান্নান, প্রফেসর হারুন অর রশিদ, পাট ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান ও প্রকৌশলী আজাদুল হক।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...