বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের এই মূল্য গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে দেশটিতে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম ৪.১৫ ডলারে উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতি সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। উল্লেখ্য, মাত্র এক বছর আগেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় মূল্য ছিল ৩.১৫ ডলার।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যে জ্বালানির দাম এক নয়। টেক্সাসের মতো তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ রাজ্যগুলোতে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিন ৩.৭৮ ডলারে পাওয়া গেলেও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো খনিবিহীন রাজ্যগুলোতে এর দাম ৫.৯৬ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। মূলত ভৌগোলিক অবস্থান ও স্থানীয় শুল্কের কারণে এই মূল্যের পার্থক্য দেখা দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি অবরোধ এই সংকটের প্রধান কারণ। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। অবরোধের ফলে এই রুট দিয়ে বিশ্ববাণিজ্য কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২০ থেকে ১৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। কিন্তু সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর ইরানি কড়াকড়িতে বর্তমানে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমে মাত্র ৮ থেকে ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। সরবরাহ শৃঙ্খলের এই ভয়াবহ বিপর্যয়েই বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতা তৈরি করেছে।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান, গাল্ফ নিউজভ
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...