Logo Logo

সভাপতি আসিফ খন্দকার, সম্পাদক সাঈদ হাসান

“হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশ” বকশীগঞ্জ শাখার কমিটি গঠন


Splash Image

মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করা মানবাধিকার সংস্থা “হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশ”-এর বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়।


বিজ্ঞাপন


নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ খন্দকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন লন্ডন প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান। কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন সংগঠনটির নির্বাহী প্রধান এ.কে.এম নুরুল আমিন।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন— সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল হক, সহ-সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, শফিকুল ইসলাম, মাসুদ বকশী ও জাকির হোসেন; সহ-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম; সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল্লাহ; অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তারা মিয়া; আইন বিষয়ক সম্পাদক হযরত আলী আকন্দ; মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল হায়দার; শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাফিউজ্জামান সোহেল; দপ্তর সম্পাদক শাজাহান মিয়া; সহ-দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান; প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম; সহ-প্রচার সম্পাদক আল আমিন মিয়া এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজল বেগম।

জানা যায়, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান বকশীগঞ্জ উপজেলার আইড়মারী গ্রামের কৃতি সন্তান। জীবিকার তাগিদে প্রায় ছয় বছর আগে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পাড়ি জমান। প্রবাসে প্রতিষ্ঠিত হলেও নিজের জন্মভূমি ও এলাকার মানুষের প্রতি তার রয়েছে গভীর টান ও দায়বদ্ধতা। ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত এলাকার আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী এবং সাধারণ মানুষের খোঁজখবর রাখেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বকশীগঞ্জে প্রায় ৬০ বছর বয়সী আকালু মিয়ার একটি অটোভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাঈদ হাসান তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে তাকে একটি নতুন ভ্যান ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সেই ভ্যানটি আকালু মিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় আর্থিক অনুদান প্রদান, নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে সহায়তা, গরিব ও অসহায় পরিবারের মেয়ের বিয়েতে সহযোগিতা এবং এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। তার এই মানবিক কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।

ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ হাসান বলেন, “বিদেশে থাকলেও মন পড়ে থাকে নিজের এলাকায়। এলাকার মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে ভেতর থেকে এক ধরনের প্রশান্তি অনুভব করি। একজন প্রবাসীর সবচেয়ে বড় টান হলো নাড়ির টান, আর সেই টান থেকেই আমি সবসময় দেশের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি শুধু চাই মানুষের পাশে থাকতে এবং তাদের মুখে হাসি ফোটাতে। যতদিন সামর্থ্য থাকবে, ততদিন সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো।”

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এই কমিটি বকশীগঞ্জ উপজেলায় মানবাধিকার রক্ষা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...