বিজ্ঞাপন
জেলার বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই ইট, বালু ও মাটিবোঝাই ট্রলিগুলোকে বেপরোয়া গতিতে চলাচল করতে দেখা যায়। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এসব যানবাহনের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই এবং অধিকাংশ চালকেরই নেই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। ফলে প্রায়ই ঘটছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, যা সাধারণ মানুষের মাঝে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল রাজাপুর উপজেলায় ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে হেলপার তানভিরের মৃত্যু হয়। এর মাত্র দুই দিন পর ২৯ এপ্রিল কাঁঠালিয়া উপজেলায় বালুবোঝাই ট্রলি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান চালক জাহিদুল ইসলাম। এছাড়াও গত বছরের ডিসেম্বরে নলছিটিতে ট্রলির ধাক্কায় লিমা আক্তার নামে এক নারীর মৃত্যু এবং তার আগের বছর রাজাপুরের পিংড়ি এলাকায় আলফা গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হওয়ার মতো ঘটনা ঝালকাঠির সড়কগুলোতে অবৈধ ট্রলির ভয়াবহতারই প্রমাণ দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কে ট্রলির অবাধ চলাচল বন্ধে প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে মাসোয়ারা গ্রহণ করে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালনের অভিযোগও তুলেছেন অনেকে। নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি না থাকায় চালকরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
সচেতন মহলের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ঝালকাঠির সড়কগুলো মৃত্যুফাঁদে পরিণত হবে। তারা সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মো. রহমত উল্লাহ জানান, তিন চাকার এসব ট্রলি সরকার ঘোষিত অবৈধ যান, এগুলো নজরে পড়লেই মামলা দেওয়া হয়। তবে নিয়মিত মাসোয়ারা গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এমন তথ্য সঠিক নয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...